Visit Online News for up-to-the-minute news, breaking news, video, audio and feature stories. Online News provides trusted World and US news as well as local and regional perspectives. Also entertainment, business, science, technology and health news.
Tuesday, December 15, 2015
Bangladesh in 34-state Islamic military alliance
_____________
Bangladesh has joined a Saudi Arabia-based 34-state Islamic military
coalition to combat terrorism, according to a joint statement published
on state news agency SPA.
Reuters, Dubai
_____________
"The countries here mentioned have decided on the formation of a military alliance led by Saudi Arabia to fight terrorism, with a joint operations center based in Riyadh to coordinate and support military operations," the statement said today.
A long list of Arab countries such as Egypt, Qatar, the United Arab Emirates, together with Islamic countries Turkey, Malaysia, Pakistan and Gulf Arab and African states were mentioned.
The announcement cited "a duty to protect the Islamic nation from the evils of all terrorist groups and organizations whatever their sect and name which wreak death and corruption on earth and aim to terrorize the innocent."
Shi'ite Muslim Iran, Sunni Saudi Arabia's arch rival for influence in the Arab world, was absent from the states named as participants, as proxy conflicts between the two regional powers rage from Syria to Yemen.
The United States has been increasingly outspoken about its view that Gulf Arab states should do more to aid the military campaign against the Islamic State militant group based in Iraq and Syria.
In a rare press conference, 30-year-old deputy crown prince and Defense Minister Mohammed bin Salman told reporters on Tuesday that the campaign would "coordinate" efforts to fight terrorism in Iraq, Syria, Libya, Egypt and Afghanistan, but offered few concrete indications of how military efforts might proceed.
![]() |
| Members of Saudi special forces take part in a graduation ceremony held in Riyadh on May 19, 2015. Photo: Faisal Al Nasser/Reuters |
Asked if the new alliance would focus just on Islamic State, bin Salman said it would confront not only that group but "any terrorist organization that appears in front of us."
Saudi Arabia and its Gulf Arab neighbors have been locked in nine months of warfare with Iran-allied rebels in neighboring Yemen, launching hundreds of air strikes there.
Especially after a rash of attacks on Western targets claimed by Islamic State in recent months, the United States has increasingly said it thinks that firepower would better be used against IS.
As a ceasefire is set to take hold in Yemen on Tuesday alongside United Nations-backed peace talks, Riyadh's announcement may signal a desire to shift its attention back toward the conflicts north of its borders.
Islamic State has pledged to overthrow the monarchies of the Gulf and have mounted a series of attacks on Shi'ite Muslim mosques and security forces in Kuwait and Saudi Arabia.
The list of 34 members: Saudi Arabia, Bahrain, Bangladesh, Benin, Chad, Comoros, Djibouti, Egypt, Gabon, Guinea, Ivory Coast, Jordan, Kuwait, Lebanon, Libya, Malaysia, Maldives, Mali, Morocco, Mauritania, Niger, Nigeria, Pakistan, the Palestinians, Qatar, Senegal, Sierra Leone, Somalia, Sudan, Togo, Tunisia, Turkey, United Arab Emirates and Yemen, BBC Online adds.
Copyright:
Any unauthorized use or reproduction of The Daily
Star content for commercial purposes is strictly prohibited and
constitutes copyright infringement liable to legal action.
Wednesday, December 2, 2015
আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে দলে মুস্তাফিজ...
আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে দলে জায়গা পেয়েছেন এ বছর চমক জাগানো পেসার মুস্তাফিজুর রহমান।
এই প্রথম বর্ষসেরা ওয়ানডে দলে জায়গা পেল বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটার।
এর আগে সাকিব আল হাসান ২০০৯ সালের আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট দলে জায়গা পেয়েছিলেন।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রেখেই হইচই ফেলে দিয়েছেন মুস্তাফিজ। উইকেট নিচ্ছেন প্রায় নামতাগুণে।
তবে এর.চেয়েও বড় ব্যাপার, মুস্তাফিজের বোলিং বুঝতেই হিমশিম খাচ্ছেন ব্যাটসম্যানরা।
ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যান থেকে শুরু করে জিম্বাবুয়ে, মুম্তাফিজকে পড়তেই পারেননি ব্যাটসম্যানরা।
জিম্বাবুয়ে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে ৫ উইকেট নিয়ে
বাংলাদেশের জয়ের অন্যতম নায়ক মুস্তাফিজুর রহমান।
মাত্র ৯ ওয়ানডেতেই ৩ বার ৫ উইকেট নিয়ে গড়েছেন নতুন.রেকর্ড।
গত জুনে ভারতের বিপক্ষে অভিষেক ওয়ানডেতেই ৫ উইকেট নিয়েছিলেন মুস্তাফিজ।
পরের ম্যাচে ৬ উইকেট নিয়ে গড়েছিলেন নতুন রেকর্ড।
প্রথম ২ ওয়ানডেতে ১১ উইকেট ছিল না আর কারও।
পরে টেস্ট অভিষেকেও ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়ে গড়েছিলেন আরেকটি রেকর্ড।
ওয়ানডে ও
টেস্ট, দুটিতেই অভিষেকে ম্যাচ সেরা হতে পারেননি
ক্রিকেট ইতিহাসে আর কেউ।
এবার বাংলাদেশ কে নিয়ে মুখ খুললেন মার্ক জুকারবার্গ, তবে কি শেষ পর্যন্ত…
আমেরিকার ওয়াশিংটনে ফেসবুক আয়োজিত এক সেমিনারে
ফেসবুকের জনক মার্ক জুকার বার্গ বাংলাদেশ ফেসবুক বন্ধ
করে দেওয়ার প্রতি তীব্র নিন্দাও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ।
তিনি বলেছেন, ফেসবুক বন্ধ করে সরকার বিশ্ব থেকে
বাংলাদেশকে আদালা করার পায়তারা করা হচ্ছে। তিনি
আরাও বলেন অতিবিলম্বে যদি বাংলাদেশে সরকার ফেসবুক
খুলে না দেয় তাহলে বাংলাদেশ কে সবরকম ইন্টারনেট সেবা
থেকে বঞ্চিত করা হবে।
তবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের
পাঠানো চিঠি নিয়ে কিছুই বলে নাই তিনি। সেমিনারে
আমেরিকা ভারত বেশ কয়েকটি দেশের বক্তরা এই বিষয়ে
প্রতি আঙ্গুল তুলে তীব্র নিন্দা জানান। বাংলাদেশ ফেসবুক
বন্ধ হওয়াতে ফেসবুক কোম্পানির বেশ কিছু ডলার এর ক্ষতি
হচ্ছে, কারন বাংলাদেশের ই-কমার্স সাইট সহ অনেক
কোম্পানিই ফেসবুক এ বিজ্ঞপন দিত কিন্তু এখন সেটি হচ্ছে
না। সেই ক্ষোভ থেকেই তিনি বাংলাদেশকে নিয়ে এমন
মন্তব্য করেন। উল্লেখ, গত ১৮ নভেম্বর থেকে ফেসবুক, ভাইবারসহ
বেশকয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ রাখা হয়েছে।
তবে মন্ত্রিসভার সদস্যসহ সরকারের অনেক উচ্চপদস্থত
কর্মকর্তারা বিকল্প উপায়ে ফেসবুক ব্যবহার করছেন। আশা
করি খুব দ্রুতই সকলের জন্য সরকার ফেসবুক উন্মুক্ত করে দিবেন।
ফেসবুকের জনক মার্ক জুকার বার্গ বাংলাদেশ ফেসবুক বন্ধ
করে দেওয়ার প্রতি তীব্র নিন্দাও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ।
তিনি বলেছেন, ফেসবুক বন্ধ করে সরকার বিশ্ব থেকে
বাংলাদেশকে আদালা করার পায়তারা করা হচ্ছে। তিনি
আরাও বলেন অতিবিলম্বে যদি বাংলাদেশে সরকার ফেসবুক
খুলে না দেয় তাহলে বাংলাদেশ কে সবরকম ইন্টারনেট সেবা
থেকে বঞ্চিত করা হবে।
তবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের
পাঠানো চিঠি নিয়ে কিছুই বলে নাই তিনি। সেমিনারে
আমেরিকা ভারত বেশ কয়েকটি দেশের বক্তরা এই বিষয়ে
প্রতি আঙ্গুল তুলে তীব্র নিন্দা জানান। বাংলাদেশ ফেসবুক
বন্ধ হওয়াতে ফেসবুক কোম্পানির বেশ কিছু ডলার এর ক্ষতি
হচ্ছে, কারন বাংলাদেশের ই-কমার্স সাইট সহ অনেক
কোম্পানিই ফেসবুক এ বিজ্ঞপন দিত কিন্তু এখন সেটি হচ্ছে
না। সেই ক্ষোভ থেকেই তিনি বাংলাদেশকে নিয়ে এমন
মন্তব্য করেন। উল্লেখ, গত ১৮ নভেম্বর থেকে ফেসবুক, ভাইবারসহ
বেশকয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ রাখা হয়েছে।
তবে মন্ত্রিসভার সদস্যসহ সরকারের অনেক উচ্চপদস্থত
কর্মকর্তারা বিকল্প উপায়ে ফেসবুক ব্যবহার করছেন। আশা
করি খুব দ্রুতই সকলের জন্য সরকার ফেসবুক উন্মুক্ত করে দিবেন।
Tuesday, December 1, 2015
একজন সুখী মানুষের গল্প (জীবনযাপন)
সুখী মানুষের গল্পটি ছোটবেলায় অনেকেরই পড়া। বাস্তব জীবনে সুখী মানুষের
সংখ্যা কম। ৩০ নভেম্বর বাস্তবেই দেখা মিলল একজন সুখী মানুষের। তিনি ইকবাল
হাবিব। স্থপতি। যিনি নিজেকে ‘সুখী মানুষ’ বলেন। তাঁর জীবনে যেমন কাজ করতে
চেয়েছেন, তেমনই তিনি করে যাচ্ছেন। কোনো কিছু নিয়ে অতৃপ্তি নেই তাঁর
জীবনে। থাকবেই বা কেন, ঢাকার হাতিরঝিল প্রকল্প, ধানমন্ডি লেক ও এর আশপাশের
এলাকার উন্নয়ন প্রকল্প, টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর
রহমানের সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (কেআইবি),
চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন, সিলেটের দুসাই রিসোর্টসহ
দৃষ্টিনন্দন, গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ও স্থাপত্যের অন্যতম নকশাকার তিনি।
স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান ভিত্তি স্থপতি বৃন্দ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক
ইকবাল হাবিব।ভোর পাঁচটায় সাধারণত ঘুম থেকে ওঠেন। নামাজ পড়ে প্রায় পৌনে পাঁচ
কিলোমিটার হাঁটেন। এরপর কিছুক্ষণ ব্যায়াম করেন। ইকবাল হাবিব বলেন, ‘সকােল
প্রথম আলো পত্রিকা হাতে নিয়ে পুরোটা পড়ি। ঝিমুনি এলে একটা “ঝিমঝিম ঘুম”ও দিই। নাশতা খেয়ে সাড়ে নয়টার
দিকে অফিস চলে যাই।’ গাড়িতে বসে মুঠোফোনে সারেন দরকারি ফোন।
সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত চলে স্থাপত্যচর্চা। ডিজাইন ব্রিফিং, ক্লায়েন্ট মিটিং, কনস্ট্রাকশন নিয়ে আলোচনা তো আছেই। ‘এসব কাজের মধ্যে নগরে পরিবেশ বিষয়ে কিছু ঘটলে সাংবাদিকদেরও সময় দিতে হয়। টক শোও থাকে।’ বলেন ইকবাল হাবিব। সন্ধ্যার পর অনেকটা সময় যায় বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) কার্যালয়ে। এই সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক তিনি। আরও কয়েকটি সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত তিনি। এ ছাড়া বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের ফেলো ও সাবেক যুগ্ম সম্পাদক।প্রকৃতি পরিবেশ কতটা প্রিয়, সেটি ঢাকায় ধানমন্ডিতে ইকবাল হাবিবের বাসার বসার ঘরের দরজা দেখলে বোঝা যায়। জীবনানন্দ দাশের ‘তোমার যেখানে সাধ চলে যাও’ কবিতার পঙ্ক্তিগুলো খোদাই করা কাচের দরজায়: ‘তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও—আমি এই বাংলার পারে র’য়ে যাব/ দেখিব কাঁঠাল পাতা ঝরিতেছে ভোরের বাতাসে...।’ আরেকটি দরজায় লেখা জসীমউদ্দীনের ‘আমার বাড়ি’ কবিতার ‘আমার বাড়ি যাইও ভ্রমর, বসতে দেব পিঁড়ে/ জলপান যে করতে দেব/ শালি ধানের চিঁড়ে।
ইকবাল হাবিব বলেন, ‘জীবনে ভালো কিছু করতে হলে দেশ, দেশের মাটি ও মানুষকে ভালোবাসতে হবে। এই ভালোবাসা হতে হবে সহমর্মিতার, দায়িত্ববোধের।’ যেহেতু তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া অবস্থা থেকে বিভিন্ন রকম আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাই নজরুলের কবিতা তাঁকে বেশি টানে। এখন গল্পের বই পড়ার সময় খুব একটা না মিললেও রাতে ঘুমানোর আগে স্থাপত্য ও পরিবেশবিষয়ক কোনো না কোনো বই পড়েন তিনি। স্থপতি মাজহারুল ইসলাম ও লুই আই কানের জীবন দর্শন তাঁকে প্রভাবিত করে।
ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় ফুটবলার হতে চেয়েছিলেন। এরপর হতে চান গায়ক। গানের তালিম নেন ওস্তাদ বেদারউদ্দীনের কাছে। ঢাকার রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়ার সময় গানের প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। ‘স্থপতি না হলে আমি গায়কই হতাম। গান শুনতে, গান গাইতে খুব ভালো লাগে। আমার জীবনের আনন্দ বেদনার সাক্ষী গান। শাহনাজ রহমতুল্লাহ ও মাহমুদুন নবী প্রিয় শিল্পী। একটা সময়ে ফার্মগেটের আনন্দ সিনেমা হলের সামনে থেকে গানের ছোট ছোট বই কিনতাম। কত গান যে আমার মুখস্থ।’
আরও একটি গোপন কথা জানা গেল তাঁর বাসায় গিয়ে। স্ত্রী স্থপতি শাহনাজ পারভীন জানালেন, নিরীক্ষাধর্মী রান্না খুব ভালো পারেন ইকবাল হাবিব। তবে ইকবাল হাবিবের প্রিয় খাবার ইলিশ মাছ। ‘মাঝেমধ্যে মনে হয় ইলিশ মাছ খাওয়ার জন্য বাংলাদেশে জন্ম সার্থক হয়েছে। বিদেশে গেলে ইলিশ মাছের মতো স্বাদ বলে স্যামন মাছ খাই।’ মজা করে বলেন তিনি। দুই ছেলে সাদমান ইকবাল ও আবরার ইকবালের সঙ্গে খুব বন্ধুত্ব তাঁর। সময় পেলে পরিবারের সবাইকে নিয়ে দেশে-বিদেশে ঘুরতে বের হন।
পোশাক নিয়ে অত ভাবনা না থাকলেও সাদা ও সবুজ রঙের পোশাক পছন্দ করেন। বেশির ভাগ পোশাক স্ত্রী কিনে দেন। বাড়িতে ফতুয়া, টি-শার্ট পরলেও পাঞ্জাবি পরতে ভালো লাগে।
এই হলো সুখী মানুষ ইকবাল হাবিবের গল্প।
সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত চলে স্থাপত্যচর্চা। ডিজাইন ব্রিফিং, ক্লায়েন্ট মিটিং, কনস্ট্রাকশন নিয়ে আলোচনা তো আছেই। ‘এসব কাজের মধ্যে নগরে পরিবেশ বিষয়ে কিছু ঘটলে সাংবাদিকদেরও সময় দিতে হয়। টক শোও থাকে।’ বলেন ইকবাল হাবিব। সন্ধ্যার পর অনেকটা সময় যায় বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) কার্যালয়ে। এই সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক তিনি। আরও কয়েকটি সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত তিনি। এ ছাড়া বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের ফেলো ও সাবেক যুগ্ম সম্পাদক।প্রকৃতি পরিবেশ কতটা প্রিয়, সেটি ঢাকায় ধানমন্ডিতে ইকবাল হাবিবের বাসার বসার ঘরের দরজা দেখলে বোঝা যায়। জীবনানন্দ দাশের ‘তোমার যেখানে সাধ চলে যাও’ কবিতার পঙ্ক্তিগুলো খোদাই করা কাচের দরজায়: ‘তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও—আমি এই বাংলার পারে র’য়ে যাব/ দেখিব কাঁঠাল পাতা ঝরিতেছে ভোরের বাতাসে...।’ আরেকটি দরজায় লেখা জসীমউদ্দীনের ‘আমার বাড়ি’ কবিতার ‘আমার বাড়ি যাইও ভ্রমর, বসতে দেব পিঁড়ে/ জলপান যে করতে দেব/ শালি ধানের চিঁড়ে।
ইকবাল হাবিব বলেন, ‘জীবনে ভালো কিছু করতে হলে দেশ, দেশের মাটি ও মানুষকে ভালোবাসতে হবে। এই ভালোবাসা হতে হবে সহমর্মিতার, দায়িত্ববোধের।’ যেহেতু তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া অবস্থা থেকে বিভিন্ন রকম আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাই নজরুলের কবিতা তাঁকে বেশি টানে। এখন গল্পের বই পড়ার সময় খুব একটা না মিললেও রাতে ঘুমানোর আগে স্থাপত্য ও পরিবেশবিষয়ক কোনো না কোনো বই পড়েন তিনি। স্থপতি মাজহারুল ইসলাম ও লুই আই কানের জীবন দর্শন তাঁকে প্রভাবিত করে।
ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় ফুটবলার হতে চেয়েছিলেন। এরপর হতে চান গায়ক। গানের তালিম নেন ওস্তাদ বেদারউদ্দীনের কাছে। ঢাকার রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়ার সময় গানের প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। ‘স্থপতি না হলে আমি গায়কই হতাম। গান শুনতে, গান গাইতে খুব ভালো লাগে। আমার জীবনের আনন্দ বেদনার সাক্ষী গান। শাহনাজ রহমতুল্লাহ ও মাহমুদুন নবী প্রিয় শিল্পী। একটা সময়ে ফার্মগেটের আনন্দ সিনেমা হলের সামনে থেকে গানের ছোট ছোট বই কিনতাম। কত গান যে আমার মুখস্থ।’
আরও একটি গোপন কথা জানা গেল তাঁর বাসায় গিয়ে। স্ত্রী স্থপতি শাহনাজ পারভীন জানালেন, নিরীক্ষাধর্মী রান্না খুব ভালো পারেন ইকবাল হাবিব। তবে ইকবাল হাবিবের প্রিয় খাবার ইলিশ মাছ। ‘মাঝেমধ্যে মনে হয় ইলিশ মাছ খাওয়ার জন্য বাংলাদেশে জন্ম সার্থক হয়েছে। বিদেশে গেলে ইলিশ মাছের মতো স্বাদ বলে স্যামন মাছ খাই।’ মজা করে বলেন তিনি। দুই ছেলে সাদমান ইকবাল ও আবরার ইকবালের সঙ্গে খুব বন্ধুত্ব তাঁর। সময় পেলে পরিবারের সবাইকে নিয়ে দেশে-বিদেশে ঘুরতে বের হন।
পোশাক নিয়ে অত ভাবনা না থাকলেও সাদা ও সবুজ রঙের পোশাক পছন্দ করেন। বেশির ভাগ পোশাক স্ত্রী কিনে দেন। বাড়িতে ফতুয়া, টি-শার্ট পরলেও পাঞ্জাবি পরতে ভালো লাগে।
এই হলো সুখী মানুষ ইকবাল হাবিবের গল্প।
ছয় ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ৫ হাজার কোটি টাকা
রাষ্ট্রমালিকানাধীন ছয় ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি এখন ৫ হাজার ২৯১ কোটি টাকা।
তিন মাস আগের তুলনায় এ ঘাটতি কিছুটা কমেছে। গত জুনে ব্যাংকগুলোর মূলধন
ঘাটতি ছিল ৫ হাজার ৭৫৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ তিন মাসে ৪৬৫ কোটি টাকা ঘাটতি
কমেছে। ব্যাংকগুলো হচ্ছে সোনালী, রূপালী, অগ্রণী, জনতা, বেসিক এবং
রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব)।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তৈরি করা সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে ব্যাংক খাতের এ উন্নতির চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে ব্যাংক খাতের চার বিষয়ে কিছুটা উন্নতির খবরও দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এগুলো হচ্ছে সংরক্ষিত মূলধন, মূলধন পর্যাপ্ততার হার, ন্যূনতম প্রয়োজনীয় মূলধন এবং মোট ঋণসুবিধার তুলনায় উদ্যোক্তা মূলধনের অনুপাত (লিভারেজ রেশিও)।
প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, জুন প্রান্তিকের তুলনায় সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে চারটি বিষয়ে উন্নতি করেছে দেশের ব্যাংক খাত। একটি বিষয়ে আবার খারাপও করেছে। যেমন একই সময়ে ব্যাংক খাতে ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে গতকাল মঙ্গলবার এসব তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংক খাতে সংরক্ষিত মূলধনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭২ হাজার ৭২০ কোটি টাকা। আগের প্রান্তিকে যা ছিল ৬৮ হাজার ২৩০ কোটি টাকা। এই সময়ে ব্যাংক খাতে সংরক্ষিত মূলধনের পরিমাণ ৪ হাজার ৪৮৯ কোটি টাকা বা ৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেড়েছে। সামগ্রিক মূলধন ঘাটতি প্রয়োজনের তুলনায় মাত্র ৪৩ কোটি টাকা কম, আগে যা আরও বেশি ছিল।
একই সময়ে তফসিলি ব্যাংকগুলোর মূলধন পর্যাপ্ততার হার (সিআরএআর) দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৫৩ শতাংশ, যা গত জুনে ছিল ১০ দশমিক ২৭ শতাংশ। তিন মাসে এ হার বেড়েছে শূন্য দশমিক ২৬ শতাংশ। অবশ্য গত মার্চে সিআরএআরের হার ১০ দশমিক ৭৩ শতাংশ ছিল। আর লিভারেজ রেশিও সেপ্টেম্বর শেষে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ১৮ শতাংশ, যা জুনে ছিল ৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ। বেড়েছে শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ।
যেকোনো ধরনের ঝুঁকি এড়াতে ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ১০ শতাংশ হারে মূলধন সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আর লিভারেজ রেশিও থাকার নিয়ম রয়েছে কমপক্ষে ৩ শতাংশ। সে হিসাবে দুটি হারই বেশি আছে। ব্যাংকাররা মনে করছেন, এই হারের উন্নতি দেশের ব্যাংক খাতের জন্য স্বস্তিদায়ক।
যোগাযোগ করলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা প্রথম আলোকে বলেন, ‘ব্যাংক খাতের নেতিবাচক বিষয়গুলো ধীরে ধীরে কমে আসছে। সেপ্টেম্বরভিত্তিক প্রতিবেদনটি সেটাই নির্দেশ করছে। ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি আরও কমবে।’
সিআরএআর সংরক্ষণে দেশের ৫৬টি ব্যাংকের মধ্যে ৪৭টি সক্ষমতা দেখালেও নয়টি ব্যাংক পারেনি।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, সিআরএআর সংরক্ষণে নয়টি ব্যাংকের কোনো উন্নতি হয়নি। অর্থাৎ আগের তিন মাসেও এগুলোর অবস্থা একই রকম ছিল। ব্যাংকগুলো হচ্ছে সোনালী, জনতা, রূপালী, বেসিক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি), রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব), বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক (বিসিবি), আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক ও প্রিমিয়ার ব্যাংক।
আর লিভারেজ রেশিও সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়েছে ছয় ব্যাংক। এগুলো হচ্ছে সোনালী, রূপালী, বেসিক, বিকেবি, রাকাব ও আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা রয়েছে, ব্যাংকগুলোকে ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ১০ শতাংশ অথবা ৪০০ কোটি টাকার মধ্যে যেটি বেশি, সে হারে মূলধন সংরক্ষণ করতে হবে। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ব্যাংকগুলোকে তা সংরক্ষণ করতে হবে ১০ শতাংশের অতিরিক্ত আরও দশমিক ৬২ শতাংশ হারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংক খাতে ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা। আগের প্রান্তিকে তা ছিল ৬ লাখ ৬৪ হাজার ১৭৮ কোটি টাকা।
জানতে চাইলে রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফরিদউদ্দিন বলেন, ‘প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণে আমাদের বাড়তি টাকার দরকার। বেসরকারি ব্যাংকগুলো উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে সহজে টাকা পেলেও আমরা পাই না।’ অর্থ মন্ত্রণালয়ে টাকার জন্য আবেদন করা আছে বলে জানান তিনি।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তৈরি করা সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে ব্যাংক খাতের এ উন্নতির চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে ব্যাংক খাতের চার বিষয়ে কিছুটা উন্নতির খবরও দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এগুলো হচ্ছে সংরক্ষিত মূলধন, মূলধন পর্যাপ্ততার হার, ন্যূনতম প্রয়োজনীয় মূলধন এবং মোট ঋণসুবিধার তুলনায় উদ্যোক্তা মূলধনের অনুপাত (লিভারেজ রেশিও)।
প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, জুন প্রান্তিকের তুলনায় সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে চারটি বিষয়ে উন্নতি করেছে দেশের ব্যাংক খাত। একটি বিষয়ে আবার খারাপও করেছে। যেমন একই সময়ে ব্যাংক খাতে ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে গতকাল মঙ্গলবার এসব তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংক খাতে সংরক্ষিত মূলধনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭২ হাজার ৭২০ কোটি টাকা। আগের প্রান্তিকে যা ছিল ৬৮ হাজার ২৩০ কোটি টাকা। এই সময়ে ব্যাংক খাতে সংরক্ষিত মূলধনের পরিমাণ ৪ হাজার ৪৮৯ কোটি টাকা বা ৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেড়েছে। সামগ্রিক মূলধন ঘাটতি প্রয়োজনের তুলনায় মাত্র ৪৩ কোটি টাকা কম, আগে যা আরও বেশি ছিল।
একই সময়ে তফসিলি ব্যাংকগুলোর মূলধন পর্যাপ্ততার হার (সিআরএআর) দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৫৩ শতাংশ, যা গত জুনে ছিল ১০ দশমিক ২৭ শতাংশ। তিন মাসে এ হার বেড়েছে শূন্য দশমিক ২৬ শতাংশ। অবশ্য গত মার্চে সিআরএআরের হার ১০ দশমিক ৭৩ শতাংশ ছিল। আর লিভারেজ রেশিও সেপ্টেম্বর শেষে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ১৮ শতাংশ, যা জুনে ছিল ৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ। বেড়েছে শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ।
যেকোনো ধরনের ঝুঁকি এড়াতে ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ১০ শতাংশ হারে মূলধন সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আর লিভারেজ রেশিও থাকার নিয়ম রয়েছে কমপক্ষে ৩ শতাংশ। সে হিসাবে দুটি হারই বেশি আছে। ব্যাংকাররা মনে করছেন, এই হারের উন্নতি দেশের ব্যাংক খাতের জন্য স্বস্তিদায়ক।
যোগাযোগ করলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা প্রথম আলোকে বলেন, ‘ব্যাংক খাতের নেতিবাচক বিষয়গুলো ধীরে ধীরে কমে আসছে। সেপ্টেম্বরভিত্তিক প্রতিবেদনটি সেটাই নির্দেশ করছে। ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি আরও কমবে।’
সিআরএআর সংরক্ষণে দেশের ৫৬টি ব্যাংকের মধ্যে ৪৭টি সক্ষমতা দেখালেও নয়টি ব্যাংক পারেনি।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, সিআরএআর সংরক্ষণে নয়টি ব্যাংকের কোনো উন্নতি হয়নি। অর্থাৎ আগের তিন মাসেও এগুলোর অবস্থা একই রকম ছিল। ব্যাংকগুলো হচ্ছে সোনালী, জনতা, রূপালী, বেসিক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি), রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব), বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক (বিসিবি), আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক ও প্রিমিয়ার ব্যাংক।
আর লিভারেজ রেশিও সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়েছে ছয় ব্যাংক। এগুলো হচ্ছে সোনালী, রূপালী, বেসিক, বিকেবি, রাকাব ও আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা রয়েছে, ব্যাংকগুলোকে ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ১০ শতাংশ অথবা ৪০০ কোটি টাকার মধ্যে যেটি বেশি, সে হারে মূলধন সংরক্ষণ করতে হবে। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ব্যাংকগুলোকে তা সংরক্ষণ করতে হবে ১০ শতাংশের অতিরিক্ত আরও দশমিক ৬২ শতাংশ হারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংক খাতে ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা। আগের প্রান্তিকে তা ছিল ৬ লাখ ৬৪ হাজার ১৭৮ কোটি টাকা।
জানতে চাইলে রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফরিদউদ্দিন বলেন, ‘প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণে আমাদের বাড়তি টাকার দরকার। বেসরকারি ব্যাংকগুলো উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে সহজে টাকা পেলেও আমরা পাই না।’ অর্থ মন্ত্রণালয়ে টাকার জন্য আবেদন করা আছে বলে জানান তিনি।
বিষয়:
বাণিজ্য
প্রতিষ্ঠানের খবর
বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা ১৫ দিনের ভিসাই পাবেন (৩০ দিন করতে রাজি হয়নি ভুটান)
বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা ভুটানে ১৫ দিনের
ভিসাই পাবেন। বাংলাদেশের চাওয়া ছিল ৩০ দিন, কিন্তু ভুটান রাজি হয়নি এতে।
তবে নবায়নের সুযোগ রাখছে ভুটান, যা আগেও ছিল।
বাংলাদেশ-ভুটান বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারের ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটে (বিএফটিআই) দুই দিনব্যাপী এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকের আগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাণিজ্যসচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন।
বৈঠকে বাণিজ্যসচিব ১৭ সদস্যের বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দেন। আর সফররত ভুটানের ১০ সদস্যের দলের নেতৃত্ব দেন দেশটির অর্থনৈতিক-বিষয়ক সচিব দাশো ইয়াশি ইয়াংদি।
জানতে চাইলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মনোজ কুমার রায় প্রথম আলোকে বলেন, ১৫ দিনের ভিসা বজায় থাকলেও ভুটান বলেছে সহজেই তা নবায়ন করবে তারা। আর ভিসা দেবে মাল্টিপল (একাধিকবার যাওয়া-আসার সুযোগ)।
বৈঠকে ভুটানকে নৌপথে ট্রানজিট দেওয়া, ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি, উভয় দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথ ব্যবহার, বন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আমদানি-রপ্তানিতে ঋণপত্র (এলসি) প্রক্রিয়া সহজ করা, শুল্ক ও অশুল্ক বাধা দূর করা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির বিষয়ে বাংলাদেশ-ভুটান-ভারতের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি করার পক্ষে মত এসেছে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশকে ৯০টি পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেয় ভুটান। প্রধান পণ্য হচ্ছে: তৈরি পোশাক, মেলামাইনসামগ্রী, লিচু ও আমের জুস, ওষুধ ও প্রসাধনসামগ্রী। আর ভুটানকে ১৮টি পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেয় বাংলাদেশ। উল্লেখযোগ্য পণ্য তাজা ফল, নির্মাণসামগ্রী, সিমেন্টের কাঁচামাল, মসলা, বড় পাথর।
বৈঠকসূত্র জানায়, বৈঠকে ভুটান আরও ১৫টি পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার চাইলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) ছাড়া তা সম্ভব না। এমনকি অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) হলেও করতে হবে। ভুটানকে ট্রানজিট দেওয়ার ক্ষেত্রে দুটি পথ চিহ্নিত করা হয়। একটি চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-মাওয়া-আরিচা-সিরাজগঞ্জ-দৈখাওয়া। অন্যটি মংলা-কাওখালী-বরিশাল-চাঁদপুর-মাওয়া-আরিচা-চিলমারী-দৈখাওয়া। এ ছাড়া বাংলাবান্ধা ও নুন খাওয়া শুল্ক স্টেশনকে অতিরিক্ত এক্সিট পয়েন্ট ও এন্ট্রি পয়েন্ট চায় ভুটান। সূত্র জানায়, এই দুই বিষয়ে কোনো সমাধান হয়নি।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, উভয় দেশের মধ্যে কিছু বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হবে আজ দুপুরে। একই সময়ে হবে যৌথ সংবাদ সম্মেলন। বিকেলে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে সচিবালয়ে মতবিনিময় করবে ভুটানের প্রতিনিধিদল। এরপর বাণিজ্যমন্ত্রী দুই দিনের বৈঠকের ফলাফল সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরবেন।
বাংলাদেশ-ভুটান বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারের ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটে (বিএফটিআই) দুই দিনব্যাপী এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকের আগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাণিজ্যসচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন।
বৈঠকে বাণিজ্যসচিব ১৭ সদস্যের বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দেন। আর সফররত ভুটানের ১০ সদস্যের দলের নেতৃত্ব দেন দেশটির অর্থনৈতিক-বিষয়ক সচিব দাশো ইয়াশি ইয়াংদি।
জানতে চাইলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মনোজ কুমার রায় প্রথম আলোকে বলেন, ১৫ দিনের ভিসা বজায় থাকলেও ভুটান বলেছে সহজেই তা নবায়ন করবে তারা। আর ভিসা দেবে মাল্টিপল (একাধিকবার যাওয়া-আসার সুযোগ)।
বৈঠকে ভুটানকে নৌপথে ট্রানজিট দেওয়া, ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি, উভয় দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথ ব্যবহার, বন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আমদানি-রপ্তানিতে ঋণপত্র (এলসি) প্রক্রিয়া সহজ করা, শুল্ক ও অশুল্ক বাধা দূর করা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির বিষয়ে বাংলাদেশ-ভুটান-ভারতের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি করার পক্ষে মত এসেছে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশকে ৯০টি পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেয় ভুটান। প্রধান পণ্য হচ্ছে: তৈরি পোশাক, মেলামাইনসামগ্রী, লিচু ও আমের জুস, ওষুধ ও প্রসাধনসামগ্রী। আর ভুটানকে ১৮টি পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেয় বাংলাদেশ। উল্লেখযোগ্য পণ্য তাজা ফল, নির্মাণসামগ্রী, সিমেন্টের কাঁচামাল, মসলা, বড় পাথর।
বৈঠকসূত্র জানায়, বৈঠকে ভুটান আরও ১৫টি পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার চাইলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) ছাড়া তা সম্ভব না। এমনকি অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) হলেও করতে হবে। ভুটানকে ট্রানজিট দেওয়ার ক্ষেত্রে দুটি পথ চিহ্নিত করা হয়। একটি চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-মাওয়া-আরিচা-সিরাজগঞ্জ-দৈখাওয়া। অন্যটি মংলা-কাওখালী-বরিশাল-চাঁদপুর-মাওয়া-আরিচা-চিলমারী-দৈখাওয়া। এ ছাড়া বাংলাবান্ধা ও নুন খাওয়া শুল্ক স্টেশনকে অতিরিক্ত এক্সিট পয়েন্ট ও এন্ট্রি পয়েন্ট চায় ভুটান। সূত্র জানায়, এই দুই বিষয়ে কোনো সমাধান হয়নি।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, উভয় দেশের মধ্যে কিছু বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হবে আজ দুপুরে। একই সময়ে হবে যৌথ সংবাদ সম্মেলন। বিকেলে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে সচিবালয়ে মতবিনিময় করবে ভুটানের প্রতিনিধিদল। এরপর বাণিজ্যমন্ত্রী দুই দিনের বৈঠকের ফলাফল সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরবেন।
বিষয়:
Subscribe to:
Posts (Atom)







